(১)
খড়ের শরীরে লেগে গেছে মাটির প্রলেপ,
মাটির শরীরে মানুষের ইচ্ছার রঙ।
এসেছে কাশফুলের দোলার দুলকি হাওয়ায়
তোমার আমার শারদীয়ার আনন্দ শমন।
তাই সাময়িক যতিচিহ্ন টানো...
(২)
কিছুটা রঙ ছড়িয়ে দাও ধুলোয়,
ধুলোকণার গায়ে জমকাল পোশাক ঝলমলিয়ে উঠবে।
নতুন ঘাসের বনে আগাছার হিন্দোল জাগে,
রঙ্গিন প্যাণ্ডেলে যেন স্বর্গসুখের মুখে নিত্যদিনের ব্যবধান রচিত হয়।
(৩)
অঞ্জলির ফুলের সাথে মায়ের পায়ে প্রত্যাশা ঝরে পড়ে
সওয়ারী নিয়ে শহরতলি চষে সুমোর মাইলেজ বেড়ে যায় পেটের খিদের আহ্লাদে,
কয়েকটা দিনে বিচ্ছেদী সময়ের অনুপ্রবেশ সাময়িক যতিচিহ্নে,
প্রাত্যহিক দিনলিপিতে আলোকময় দ্যুতির আবির্ভাব পদ্ম দিঘির জলে
শহরের চতুষ্কোণেও আলোর মশাল জ্বেলে আমুদে প্রতিফলন পোশাকি জাঁকজমকে।
তারপর শিউলি ঝরা ভোরে শারদযামিনী খুঁজে বেড়াবে নিজের অস্তিত্ব আর --
পরিত্যক্ত এঁটোকাঁটার আঁস্তাকুড়ে হারিয়ে যাবে কয়েকটা দিনের প্রাণের উৎসব..
বেশ কাব্যিক অথচ বাস্তববোধের প্রকাশ।
উত্তরমুছুনধন্যবাদ দাদা। আগেরটা পড়ো
উত্তরমুছুন