মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৬

জন্ম-মৃত্যুর মাঝে

নিজেকে জন্মাতে দেখিনি কখনও। সুখ ভেবে  জন্মের পর আমাকে আঁকড়ে ধরে যারা ছবি তুলেছিল তাদের হাসিমুখ বড় স্থির, নিশ্চল। তাদের জন্ম নেই, তাদের মৃত্যু নেই, তারা অন্নপ্রাশনের শিশুটাকে কোলে নিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে আছে ছবির পাতায়,
দীর্ঘদিন ধরে দাঁড়িয়ে আছে...
শুক্লপক্ষের রাত এলে আকাশ সেজে ওঠে অজস্র এল-ই-ডির মত নক্ষত্রদের আলোয়। উঠোনের দরজা খুলে তারাদের হাসতে দেখি। একলা একটা দোতলা বাড়ি যেন আরও একলা হয়ে মাথা তুলে দিতে চায় গভীর রাতে। বাড়ির রঙগুলো রাতের কালোয় মিশে রঙ বদল করে। অথচ বাড়ির ভেতরের আসল রঙ ঝলমল করে রাতের অন্ধকারে চুপিচুপি। দ্বিতীয় কেউ তার খবর রাখে না,  কোন নিউজপেপার তা ছাপায় না, ব্যাপারটা একান্ত ব্যক্তিগত ...
হাওয়ায় হাওয়ায় ভেসে যায় কালো চুল।  তামাটে শরীরে যুক্তিরা আর জোর খাটায় না।  অযৌক্তিক হিসেব নিকেশগুলো নীরবচারী হয়ে আসছে আজ। কথাবার্তা চলে অনর্গল তবুও শান্ত হয়ে যায় যাবতীয় আদব-কায়দা। বিসর্জনের শোভাযাত্রায় আমি নিরীহ পদচারণা করি, শেষতক হাঁটি আর হেঁটে যাই, হাঁটতেই থাকি,  শেখা হয় না হুইশেল, উদোম নৃত্যকলা, মুখবুজে হেঁটে চলি ধীর পায়ে অগস্ত্যযাত্রায়।
মৃত্যুকে দেখছি অনুভবে বেড়ে উঠতে। কেবল মূলে লেগে থাকবে মাটি...

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন